Grid Posts

View All
Uncategorized

বিজেপি সরকার বাংলায় আসার পরই বদলে গেল ইতিহাসের পরিচয়, মুছে ফেলা হল সিরাজউদ্দৌলা উদ্যানের নাম

নিজস্ব সংবাদদাতা, বারাসাত:-রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ঘিরে নতুন বিতর্ক দানা বাঁধছে। এবার সেই বিতর্কের…

NewsWest Bengal

প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে।

প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে। এই পরিস্থিতিতে আত্মবিশ্বাসী সুর শোনা গেল…

News

বাংলা নববর্ষে আল মোস্তফা মিশনে ছাত্রীদের বিশেষ অনুষ্ঠান, সংবর্ধনা ও ‘উৎকর্ষ বাংলা’ প্রোগ্রামে উজ্জ্বল আয়োজন

এহসানুল হক, বসিরহাট:-বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ছাত্রীদের জন্য এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় আল মোস্তফা মিশন-এ, যা বসিরহাটের মাটিয়া থানার…

News

টাকিতে তৃণমূলের মেগা প্রচার, সুরজিৎ মিত্র বাদলের সমর্থনে এলেন সাংসদ-অভিনেতা দেব

এহসানুল হক, বসিরহাট:-আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রচারে জোরকদমে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার বিকেলে টাকিতে দেখা…

Home




আমার বাংলা টিভি

দিনের সেরা

কলকাতা

হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম: ২০২৬-এ ত্রিমুখী লড়াই, বাড়ছে উত্তেজনাআসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে তৈরি হয়েছে চরম রাজনৈতিক উত্তাপ। এবারের লড়াই যে ত্রিমুখী হতে চলেছে, তা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট রাজনৈতিক মহলে।২০২১ সালের নির্বাচনে এই নন্দীগ্রাম থেকেই শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে প্রায় ১৯০০ বেশি ভোটে পরাজিত করেছিলেন। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। তবে এবারের সমীকরণ অনেকটাই বদলে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় মেরুকরণ এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। অভিযোগ উঠেছে, বিজেপির পক্ষ থেকে ‘হিন্দুত্ব’ ইস্যু জোরদার হওয়ায় মুসলিম ভোটারদের একাংশ অসন্তুষ্ট। এর জেরে নন্দীগ্রামের মুসলিম ভোটারদের মধ্যে একধরনের ঐক্যবদ্ধতার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।এই প্রেক্ষাপটে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হিসেবে সামনে এসেছেন ডক্টর শহীদুল হক। তিনি দলের মুখপাত্রও বটে। দলীয় সূত্রের দাবি, মুসলিম ভোটের বড় অংশ তার দিকে যেতে পারে। জানা গেছে, কয়েকদিন আগে বিভিন্ন ইমাম ও মোয়াজ্জেমদের একাংশ প্রায় ১৫ হাজার ভোট এই দলের পক্ষে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে প্রায় ৩৮ শতাংশ মুসলিম এবং ৬২ শতাংশ হিন্দু ভোটার রয়েছে। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির দাবি, তারা মোট ভোটের ৩০ থেকে ৩২ শতাংশ পর্যন্ত অর্জন করতে সক্ষম হতে পারে।অন্যদিকে, হিন্দু ভোটের বড় অংশ ভাগ হয়ে যেতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পবিত্র কর এবং বিজেপির মধ্যে। ফলে সমীকরণ আরও জটিল হয়ে উঠছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, যদি তিনটি পক্ষই প্রায় ৩০-৩২ শতাংশ করে ভোট পায়, তাহলে ফলাফল অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী ডক্টর শহীদুল হকই হয়ে উঠতে পারেন “কিংমেকার”।এছাড়াও, মেদিনাপুর প্রতাপপুরের পীরজাদা রুহুল আমিনের সমর্থন এই সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তিনি প্রকাশ্যে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির ‘বাঁশি’ প্রতীকের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন বলে জানা গেছে।সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের লড়াই যে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং চরম উত্তেজনাপূর্ণ হতে চলেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত কার দখলে যায় এই হাইভোল্টেজ কেন্দ্র।

বাংলা নববর্ষে আল মোস্তফা মিশনে ছাত্রীদের বিশেষ অনুষ্ঠান, সংবর্ধনা ও ‘উৎকর্ষ বাংলা’ প্রোগ্রামে উজ্জ্বল আয়োজনএহসানুল হক, বসিরহাট:-বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ছাত্রীদের জন্য এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় আল মোস্তফা মিশন-এ, যা বসিরহাটের মাটিয়া থানার অন্তর্গত ঘোড়ারস কোড়াপাড়া এলাকায় অবস্থিত। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোটিভেশন স্কলার শিক্ষক আবেদিন হক আদি, মিশনের সম্পাদক শিক্ষক আরসাদুর রহমান এবং সদস্য জুলফিকার আলি সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। শুরু থেকেই অনুষ্ঠানে ছিল আনন্দ, উদ্দীপনা এবং শিক্ষামূলক ভাবনার এক সুন্দর সমন্বয়।অনুষ্ঠানের সূচনায় বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য তুলে ধরা হয় এবং ছাত্রীদের জীবনে শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উপস্থিত বক্তারা ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখেন এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল ও সফল ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল ছাত্রীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগানো এবং তাদের এগিয়ে যাওয়ার পথকে আরও সুদৃঢ় করা।মোটিভেশন স্কলার শিক্ষক আবেদিন হক আদি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষাই মানুষের জীবনের মূল ভিত্তি। কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও সততা থাকলে যে কোনো লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। আজ যারা এই মিশন থেকে সফল হয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন, তারা বর্তমান ছাত্রীদের কাছে এক বড় অনুপ্রেরণা।” তিনি আরও বলেন, “বাংলা নববর্ষ নতুনভাবে শুরু করার এক বার্তা নিয়ে আসে—এই নতুন বছরে প্রত্যেক ছাত্রীকে নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে।”অন্যদিকে, মিশনের সম্পাদক শিক্ষক আরসাদুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আল মোস্তফা মিশন শুধু শিক্ষাদানের একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি আদর্শ গড়ার কেন্দ্র। আমরা চাই আমাদের ছাত্রীরা শুধু পড়াশোনায় নয়, নৈতিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধেও সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক।” তিনি সংবর্ধিত প্রাক্তনীদের সাফল্যে গর্ব প্রকাশ করে জানান, “তাদের এই অর্জন বর্তমান ছাত্রীদের সামনে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।”অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সংবর্ধনা পর্ব। মিশন থেকে ভালো ফলাফল করে বর্তমানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত প্রায় ১৫ জন প্রাক্তন ছাত্রীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাদের সাফল্যের কাহিনি উপস্থিত ছাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করে।পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ‘উৎকর্ষ বাংলা’ প্রোগ্রামও অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে ছাত্রীদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়, যা তাদের বাস্তব জীবনে এগিয়ে যেতে সহায়ক হবে।সব মিলিয়ে, বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং ছাত্রীদের জন্য অনুপ্রেরণা, দিকনির্দেশনা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

রাজ্য

দেশ

বিদেশ

খেলা

বিনোদন